বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কাজী আজহার আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, সাবেক সচিব, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী কাজী আজহার আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর ২০২৫) পালিত হয়েছে।
বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। আজীবন তিনি শিক্ষা বিস্তার, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতিতে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকালে বনানী কবরস্থানে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এছাড়া, বেলা ১১টায় মোহাম্মদপুরের আদাবরে অবস্থিত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কাজী আজহার আলী ছিলেন শোষিত ও অবহেলিত বাঙালি জাতির শিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নিরলস সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শী চিন্তা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ আজও দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
আলোচনায় মরহুমের কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ইঞ্জি: এম এ গোলাম দস্তগীর, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম, ট্রেজারার সাজেদ উল ইসলাম, মরহুমের দৌহিত্র ওয়াসিফ, প্রফেসর ড. এনামুল আজিজ, প্রফেসর সাদিক ইকবালসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল ও কলেজসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কাজী আজহার আলী যে আলোকবর্তিকা প্রজ্বলন করে গেছেন, তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জ্ঞান ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেবে।
শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
#bangladeshuniversity
ALL